অবিভক্ত বাংলার ঝিকরগাছা জনপদের বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের আখ্যান ‘নিষুপ্ত জাগরণ’ নিয়ে ঢাকায় আলোচনা
আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অবিভক্ত বাংলার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ঝিকরগাছা জনপদের আবুল হুসেনকে কেন্দ্র করে রচিত কবি মোহাম্মদ শামছুজ্জামানের উপন্যাস ‘নিষুপ্ত জাগরণ’র ওপর এক গভীর ও মননশীল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি’ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলোচকরা বইটির বিষয়বস্তু, উপস্থাপনশৈলী এবং লেখককের গভীর অনুভবের নির্যাস নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। আবুল হুসেনের জীবন ও দর্শন বাঙালি জীবনের নিরিখে কতটা প্রাসঙ্গিক, তা এই উপন্যাসে কতটা নিপুণভাবে উঠে এসেছে তা ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। আলোচনায় অংশ নিয়ে ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’র সভাপতি ও অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী বলেন, "আবুল হুসেন কেবল একটি নাম নয়, তিনি একটি স্বপ্ন ও সাধনার নাম। তিনি ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও শিখা গোষ্ঠীর প্রধান রূপকার। মাত্র ৪২ বছরের স্বল্প আয়ুষ্কালে তিনি পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জাগরণ ও আলোকায়নের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।" অনুষ্ঠানে উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান সময়ের সঙ্গে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে সাতজন দেশবরেণ্য সাহিত্যিক, সম্পাদক, চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক আলোচনা করেন। সাহিত্যিক নাজনীন সাথী ও কবি অনার্য নাঈম উপন্যাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক পাভেল চৌধুরী, ফজলুল হক, ইমরান মল্লিক, মাহফুজ সালাম, মণি হায়দার ও শিশির মল্লিকসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে ৫০০ পৃষ্ঠার এই বৃহৎ উপন্যাসে বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাংলা, ভারত ও বিশ্ব রাজনীতির পাশাপাশি বহু আলোকিত মানুষের জীবনচিত্র চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। বক্তারা ‘নিষুপ্ত জাগরণ’ বইটির বহুল পাঠ ও প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে আবুল হুসেনের আদর্শ ও তৎকালীন সময়ের সমাজ পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরতে এই উপন্যাসটি একটি অনন্য দলিল হিসেবে কাজ করবে।
আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অবিভক্ত বাংলার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ঝিকরগাছা জনপদের আবুল হুসেনকে কেন্দ্র করে রচিত কবি মোহাম্মদ শামছুজ্জামানের উপন্যাস ‘নিষুপ্ত জাগরণ’র ওপর এক গভীর ও মননশীল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি’ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলোচকরা বইটির বিষয়বস্তু, উপস্থাপনশৈলী এবং লেখককের গভীর অনুভবের নির্যাস নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। আবুল হুসেনের জীবন ও দর্শন বাঙালি জীবনের নিরিখে কতটা প্রাসঙ্গিক, তা এই উপন্যাসে কতটা নিপুণভাবে উঠে এসেছে তা ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। আলোচনায় অংশ নিয়ে ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’র সভাপতি ও অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী বলেন, "আবুল হুসেন কেবল একটি নাম নয়, তিনি একটি স্বপ্ন ও সাধনার নাম। তিনি ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও শিখা গোষ্ঠীর প্রধান রূপকার। মাত্র ৪২ বছরের স্বল্প আয়ুষ্কালে তিনি পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জাগরণ ও আলোকায়নের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।" অনুষ্ঠানে উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান সময়ের সঙ্গে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে সাতজন দেশবরেণ্য সাহিত্যিক, সম্পাদক, চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক আলোচনা করেন। সাহিত্যিক নাজনীন সাথী ও কবি অনার্য নাঈম উপন্যাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক পাভেল চৌধুরী, ফজলুল হক, ইমরান মল্লিক, মাহফুজ সালাম, মণি হায়দার ও শিশির মল্লিকসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে ৫০০ পৃষ্ঠার এই বৃহৎ উপন্যাসে বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাংলা, ভারত ও বিশ্ব রাজনীতির পাশাপাশি বহু আলোকিত মানুষের জীবনচিত্র চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। বক্তারা ‘নিষুপ্ত জাগরণ’ বইটির বহুল পাঠ ও প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে আবুল হুসেনের আদর্শ ও তৎকালীন সময়ের সমাজ পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরতে এই উপন্যাসটি একটি অনন্য দলিল হিসেবে কাজ করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শেখ নাজমুল ইসলাম| অফিস ঠিকানা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন সড়ক তালা সাতক্ষীরা ফোন নং ০১৭১১৭ ৯৮৬২২ ইমেইলঃ daink71bangla@gmail.com
ইপেপার