1. admin@dainik71bangla.com : dainik71bangla.com :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশী সিলেটের ফয়সল চৌধুরী রাজধানী ঢাকায় ভান্ডারিয়া উপজেলার ড্রীম বাংলা ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল আবারো পশ্চিম বাংলার মসনদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপদ্যায় আল কুরআনের খেদমত সবার ভাগ্যে থাকেনা – শাহ্ মোঃ ছাদিকুর রহমান নন্দীগ্রামে মমতা কে হারিয়ে শুভেন্দু জয়ী নন্দীগ্রামে ১২০১ ভোটে জয়ী মমতা ব্যানার্জি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফের মমতা ব্যানার্জি সরকার গঠনে এগিয়ে ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদের সামগ্রী বিতরণ তাকবীরে তাহরীমা ও সালামের লামে মদ্দ করা সংক্রান্ত করোনাক্রান্তে বিশ্ব রেকর্ডে ভারত ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে

লামায় ৬ দাবিতে মানববন্ধন করেছে তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ

মোহাম্মদ মোরশেদ আলম চৌধুরী:লামা (বান্দরবন) উপজেলা প্রতিনিধি।
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ মোরশেদ আলম চৌধুরী :: লামা উপজেলা বান্দরবান। বান্দরবানের  লামায় ৬ দাবিতে মানববন্ধন করেছে তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় লামা উপজেলা পরিষদের প্রধান সড়কে আধাঘন্টা ব্যাপী তিন শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই।

মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শ্রমিকলীগ লামা পৌর শাখার সভাপতি আবুল বাশারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।আরো উপস্থিত থেকে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম

সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারিস হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গফুর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সদস্য এস.এম মোস্তাকিম জনি সহ বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের  নেতা কর্মী ও লামা উপজেলার তামাক চাষী ব্যবসায়ীরা।বক্তারা বলেন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের

বেশির ভাগ মানুষ তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় এখানে অন্য ফসলের ফলন ভালো হয় না। ফলে আমরা তামাক চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করি। তামাক ব্যবহার হয়ে থাকে কেবল দেশীয় বিড়ি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে। বিড়ির উপর ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মাত্রাতিরিক্ত।

করারোপের ফলে বিড়ি কারখানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিড়ি শিল্পের এই অবস্থার কারণে আমাদের উৎপাতি তামাক বিক্রয় বন্ধ হয়ে পড়েছে। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাজার হাজার তামাক চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে পার্বত্য অঞ্চলের তামাক চাষীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।

যা অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই এলাকার মানুষের অন্য কোনো আয়ের পথ না থাকায় দেখা দিচ্ছে অভাব-অনটন। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি প্যাকেট বিড়িতে ৪ টাকা মূল্য বৃদ্ধি করে বিড়ির সাথে তামাক চাষী ও ব্যবসায়ীদের স্বমূলে ধ্বংস করার আরেকটি কৌশল অবলম্বন

করেছে। এতে তামাক চাষীরা হাজার হাজার টন তামাক বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য নিন্মোক্ত ৬টি দাবি তুলে ধরলাম। দাবিসমূহ হল, তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে। ২. তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের।

সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৩. ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির উপর বৃদ্ধিকৃত অতিরিক্ত ৪ টাকা মূল্যস্তর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। ৪. বিড়ির উপর অর্পিত ১০% অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। ৫. বিড়ির শুল্ক কমিয়ে তামাক পাতার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

৬. বঙ্গবন্ধুর আমলে তামাকের ন্যায় মূল্য ছিল আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও তামাকে ন্যায্য মূল্য পাবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় : INTEL WEB