1. admin@dainik71bangla.com : dainik71bangla.com :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশী সিলেটের ফয়সল চৌধুরী রাজধানী ঢাকায় ভান্ডারিয়া উপজেলার ড্রীম বাংলা ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল আবারো পশ্চিম বাংলার মসনদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপদ্যায় আল কুরআনের খেদমত সবার ভাগ্যে থাকেনা – শাহ্ মোঃ ছাদিকুর রহমান নন্দীগ্রামে মমতা কে হারিয়ে শুভেন্দু জয়ী নন্দীগ্রামে ১২০১ ভোটে জয়ী মমতা ব্যানার্জি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফের মমতা ব্যানার্জি সরকার গঠনে এগিয়ে ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদের সামগ্রী বিতরণ তাকবীরে তাহরীমা ও সালামের লামে মদ্দ করা সংক্রান্ত করোনাক্রান্তে বিশ্ব রেকর্ডে ভারত ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে

ভয়াবহ করোনা ও মে দিবসের ভাবনা …………এম এ এইচ শাহীন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

🔴বিশ্বের সকল দেশ সমূহ পার করছে একনিদারুণ কঠিন দূর্বিষহ্য দিন ভাবনার চিন্তার ও শেষ নেই। মানুষ মানবতা আজ নির্বাক? যেন চারিদিকে আজ অন্ধকারে আছন্ন হতাশার ধুম্রজাল এ মহামারী থেকে বিশ্ববাসী কবে মুক্তি পাবে। আর স্বস্তির নিঃশ্বাষ, ফেলবে এমন সুদিনের আশাগুলো নিয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রকে নতজানু করে দিয়েছে কোভিড১৯ করোনাভাইরাস।তবে আশার কথা হলো এ মহামারী থেকে বাঁচতে হলে স্রষ্টার রহমত কামনা করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা,সময়মত করোনা টেষ্ট পরীক্ষা করাতে হবে। বেশি বেশি সাবান পানি দ্বারা ভালো করে হাত মুখ ধুতে হবে। একান্ত জরুরী দরকার ছাড়া ঘরের বাহিরে না যাওয়াই মঙ্গলজনক হবে।সরকার ঘোষিত লক ডাউন বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে আজ মহামারী করোনা কাবু করে ফেলেছে প্রতিদিন শতশত লাশ হতে হচ্ছে অবাক বিষ্ময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হা (WHO) ও গভীর পর্যবেক্ষণ করছে বিভিন্ন দেশে এর টিকা প্রতিষেধক হিসেবে তৈরী করে চলেছে। মুলত চীন থেকে এ ভাইরাসজনিত রোগের উৎপত্তি।তবুও জীবনের পথচলা থেমে নেই চলছে মানব গাড়ি যেথে হবে বহুদূর…ভয়াবহ করোনা ও মে দিবসের ভাবনা শিরোনামে লেখাটি যখন লিখছি
আজ পহেলা মে বিশ্ব শ্রমিক দিবস।আমিও একজন শ্রমিক বটে পেশাগতভাবে লেখালেখি করি মহৎ কর্মের,পাশাপাশি রুটিরুজির জন্য কৃষিতে শ্রম দেই।
কৃষি প্রধান বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি জননী তাই
এ মাটির বুক চিরে সবুজ সোনালি ফসল ফলাই
জীবনের তাগিদে তা দিয়ে সমাজ সংসার চলে।
এবার আসা যাক মুলকথায় ইতিহাসের ১৮৮৬ সালে আমরিকার শিকাগো শহরের হে’ মার্কেটের সামনে ম্যাসাকার শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেই পালিত হয়। সেদিন দৈনিক ৮ঘন্টার কাজের দাবীতে শ্রমিকরা হে মার্কেটে জমায়েত হয়েছিল। তাদেরকে ঘিরে থাকা পুলিশের প্রতি ১ অজ্ঞাত নামার বোমা নিক্ষেপের পর পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। ফলে প্রায়১০-১২জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হয়। ইতিহাস স্বাক্ষী  ১৮৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লবের শতবার্ষিকীতে প্যারিসে২য় আন্তর্জাতিক, প্রথম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ১৮৯০ সাল থেকে শিকাগো প্রতিবাদের বার্ষিকী বিশ্ব ভুবনে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে পালনের প্রস্তাব করেন রেমন্ড লাভিনে। ১৮৯১ সালে বিশ্বে ২য় কংগ্রেসে এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এরপরপরই ১৮৯৪ সালের মে দিবসের দাঙ্গার ঘটনা ঘটে।এবং ১৯০৪ সালে আমস্টারডাম শহরে অনুষ্ঠিত সমাজতন্ত্রিদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই উপলক্ষ্যে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। প্রস্তাবে দৈনিক ৮ঘন্টা কাজের সময় নির্ধারণের দাবী আদায়ের জন্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বজুড়ে পয়লা মে তারিখে মিছিল ও শোভাযাত্রা আয়োজনের সকল সমাজবাদী গণতান্ত্রিক দল এবং শ্রমিক সংঘের (ট্রেড ইউনিয়ন) প্রতি আহবান জানানো হয়। সেই সম্মেলনে “শ্রমিকদের হতাহতের সম্ভাবনা না থাকলে বিশ্বজুড়ে সকল শ্রমিক সংগঠন মে’র ১ তারিখে “বাধ্যতামূলকভাবে কাজ না করার” সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অনেক দেশে শ্রমজীবী জনতা মে মাসের ১ তারিখকে সরকারি ছুটির দিন হিসাবে পালনের দাবি জানায় এবং অনেক দেশেই এটা কার্যকরী হয়। দীর্ঘদিন ধরে সমাজতান্ত্রিক, কমিউনিষ্ট এবং কিছু উগ্রবাদী সংগঠন তাদের দাবী জানানোর জন্য মে দিবসকে মুখ্য দিন হিসাবে বেছে নেয়। কোন কোন স্থানে শিকাগোর হে মার্কেটের আত্মত্যাগী শ্রমিকদের স্মরণে আগুনও জ্বালানো হয়ে থাকে। পূর্বতন সোভিয়েত রাষ্ট্র, চীন, কিউবাসহ বিশ্বের অনেক দেশেই মে দিবস একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সে সব দেশে এমনকি এ উপলক্ষ্যে সামরিক নিয়মাধীন  কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। আমাদের বাংলাদেশে এবং ভারতেও এই দিনটি যথাযথভাবে পালিত হয়ে আসছে। এবং আমেরিকা ও কানাডাতে অবশ্য সেপ্টেম্বর মাসে শ্রম দিবস পালিত হয়। সেখানকার কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়ন এবং শ্রমের নাইট এই দিন পালনের উদ্যোক্তা। হে’ মার্কেটের হত্যাকান্ডের পর আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মনে করেছিলেন পহেলা ‘মে তারিখে যে কোন আয়োজন হানাহানি সংগঠিত হতে পারে। সে জন্য ১৮৮৭ সালেই তিনি নাইটের সমর্থিত শ্রম দিবস পালনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন।আজ শ্রমিক দিবসের ভাবনা শ্রমিকের রক্ত,ঘামে ভেজা শরীরে তাদের প্রাপ্য মাইনে, অর্থ দিতে যেন কোন ব্যাক্তি মহল কাপর্ণ্য না করি তাদের নাজেহাল না করি। মারধর ভয়ভীতি পদর্শন না করি।শ্রমিকের শ্রমেই সুন্দর হোক বিশ্বের প্রতিটি দেশ ও জাতি। আজকের মে দিবসে প্রত্যাশা এই দিন শুভ হোক শ্রমিকরা পাক তাদের ন্যায্য ও মৌলিক অধিকার, বিশ্বের সকল মালিক-শ্রমিক ঐক্য হোক শক্তি আর পরম শান্তির।(লেখক: কবি/সম্পাদক,দৈনিক একাত্তর বাংলা)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় : INTEL WEB