1. admin@dainik71bangla.com : dainik71bangla.com :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশী সিলেটের ফয়সল চৌধুরী রাজধানী ঢাকায় ভান্ডারিয়া উপজেলার ড্রীম বাংলা ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল আবারো পশ্চিম বাংলার মসনদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপদ্যায় আল কুরআনের খেদমত সবার ভাগ্যে থাকেনা – শাহ্ মোঃ ছাদিকুর রহমান নন্দীগ্রামে মমতা কে হারিয়ে শুভেন্দু জয়ী নন্দীগ্রামে ১২০১ ভোটে জয়ী মমতা ব্যানার্জি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফের মমতা ব্যানার্জি সরকার গঠনে এগিয়ে ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদের সামগ্রী বিতরণ তাকবীরে তাহরীমা ও সালামের লামে মদ্দ করা সংক্রান্ত করোনাক্রান্তে বিশ্ব রেকর্ডে ভারত ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে

আল কুরআনের খেদমত সবার ভাগ্যে থাকেনা – শাহ্ মোঃ ছাদিকুর রহমান

◼ শাহ্ মোঃ ছাদিকুর রহমান।
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রামাদ্বান মাস হলো কুরআনের মাস। এই মাসেই পবিত্র কুরআান মাজিদ নাজিল হয়। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ খন্ড খন্ড ভাবে দীর্ঘ (২৩) তেইশ বৎসরে নাজিল হয়েছে। মহান রাব্বুল আলামিনের পক্ষ হতে ফেরেস্তা হযরত জিবরাঈল (আ.) এর মাধ্যমে নবী করিম (সা.) এর উপর নাজিল হয়েছে।কুরআনের ধারাবাহিকতা আগে ছিলনা। প্রথমে জলিলুল ক্বদর সাহাবি ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) এবং পরবর্তীতে জামিয়ুল কুরআন জলিলুল ক্বদর সাহাবি হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) কুরআন সংকলন করেন।কুরআন মাজিদ এমন একটি কিতাব যার তুলনা সে নিজেই।দুনিয়াতে এমন কিতাব দ্বিতীয়টি আর নেই। যেই কিতাব পঠন করলে একটি হরফে (১০) দশটি করে নেকি। আমার জানামতে এরকম আর কোনো কিতাব নেই, যে কিতাব পাঠ করলে একটি হরফ বা অক্ষর পড়লে (১০) করে নেকি পাওয়া যায়।কুরআন মাজিদ সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ কিতাব। এই কিতাবে সন্দেহের অবকাশ মাত্র নেই।(আল কুরআন) মহান রাব্বুল আলামিন তিনি নিজেই বলেছেন, আমি কুরআন মাজিদ নাজিল করেছি আর আমি নিজেই এর হেফাজতকারী। (আল কুআান) কুরআন মাজিদ পঠনে যেমন সাওয়াব পাশে থেকে শুনলেও তেমনি সাওয়াব। সমান সমান।কুরআন মাজিদের একটি মুজিযা হলোঃ কারও যদি মন খারাপ থাকে তখন সে যদি তেলাওয়াত করে তার উপর আল্লাহর দয়ার নজর পরে। তাই তার মন ভালো হয়ে যায়। আমার কথা বলি, আমার যদি কখনও মন খারাপ হয় বা অশান্তি অনুভব করি তখনই আমি অদ্বু বানিয়ে কুরআন মাজিদ তেলাওয়াত করি। ততক্ষণে আমার মন ভালো হয়ে যায়। অশান্তি থেকে শান্তি ফিরে পাই।কুরআন মাজিদের আরেকটি মুজিযা হলোঃ নিয়মিত তেলাওয়াত করলে কখনও অভাব অনটনে দেখা দেয়না। কুরআন শরীফের সাথে ভালোবাসা, মুহব্বত রাখলে কুরআন মাজিদ ও আপমাকে ভালোবাসবে। সহজ হিসাব “দিলে মিলে”।রিজিকের ফায়সালা হয়। আল্লাহ খুশি থাকেন।কুরআন মাজীদ পঠনে এত মধুর বলে ভাষা দিয়ে বুঝাবার মত নয়।
এত মধুর একটি কিতাব জমিনে আর এরকম দ্বিতীয়টি পাইনি। যতোই পঠন করি ততোই ভালো লাগে। দুশ্চিন্তা দূরে থাকে। শয়তান ওয়াসওয়াসা দিতে পারে না। ক্ষু মন্ত্রনা থেকে দূরে রাখে।খেদমতে কুরআন সবাই করতে পারে না। ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক সময় ইচ্ছা থাকার পরও খেদমত করা যায়না। হতে পারে সময়ের অভাবে। আবার দৈহিক কোনো সমস্যার কারণে। অথবা অর্থের অভাবে ইত্যাদি।  (লেখক: হাফিজ, কবি,শিক্ষক)।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় : INTEL WEB