অ্যাম্বুলেন্স চালক আলমগীরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

অ্যাম্বুলেন্স চালক আলমগীরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী
শ্যামল দত্ত চৌগাছা( যশোর)প্রতিনিধি:
করোনা মহামারির সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা এখনও ভুলে যাননি মানুষ। যখন সামান্য হাঁচি-কাশির শব্দেও স্বজনরা দূরে সরে যেত, আক্রান্ত রোগীর পাশে দাঁড়াতে অনেকে ভয় পেতেন, এমনকি মৃতদেহ দাফন-সৎকারেও দেখা দিত অনীহা। ঠিক সেই সংকটময় সময়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে দিন-রাত অ্যাম্বুলেন্সের স্টিয়ারিং ধরে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক আলমগীর হোসেন
করোনাকালে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই মানুষটি আজও মানবিকতার সেই পথেই হাঁটছেন। দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা, অনেক ক্ষেত্রে ভাড়া মওকুফ করা, এমনকি নিজের পকেটের টাকা খরচ করে রোগীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার মতো কাজের জন্য তিনি এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলমগীর হোসেন চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। বাবার কাছ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েই তিনি মানবসেবাকে নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্তমান সময়ে যখন অধিকাংশ মানুষ নিজের স্বার্থ নিয়েই ব্যস্ত, তখন আলমগীর হোসেন নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই মানবিকতা সাধারণ মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দিনমজুর শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার ছেলেকে জরুরি ভিত্তিতে যশোরে নিতে হতো। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া দেওয়ার মতো টাকা ছিল না। বিষয়টি জানার পর আলমগীর ভাই বলেছিলেন, ‘টাকা পরে হবে, আগে রোগীর জীবন।’ তিনি আমাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেন। এমন মানুষ এখন খুব কমই দেখা যায়।”
প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আলমগীর হোসেন বলেন, “আমি একজন বীর মুক্তিযোদ�
