চৌগাছায় পাটের বাম্পার ফলন, ন্যায্যমূল্যে খুশি কৃষক সোনালি আঁশে ফিরছে সম্ভাবনা, বাড়ছে চাষিদের আগ্রহ

চৌগাছায় পাটের বাম্পার ফলন, ন্যায্যমূল্যে খুশি কৃষক
সোনালি আঁশে ফিরছে সম্ভাবনা, বাড়ছে চাষিদের আগ্রহ
শ্যামল দত্ত, চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছায় চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত জাতের বীজ এবং কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এ বছর পাটের উৎপাদন আশাব্যঞ্জক হয়েছে। এর সঙ্গে বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি। এক সময়ের অবহেলিত সোনালি আঁশ আবারও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
বোরো ধান কাটার পর উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় কৃষকেরা পাটের আবাদ করেন। চৈত্র থেকে বৈশাখ মাসে বীজ বপনের পর বর্ষার অনুকূল পরিবেশে পাটগাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে। কম খরচে অধিক ফলন এবং লাভজনক বাজারমূল্যের কারণে প্রতিবছরই পাটচাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাটক্ষেত এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে। এ অঞ্চলে প্রধানত ইন্ডিয়ান-৫২৪, বিজেআরআই তোষা, দেশি ও তুষার-৮ জাতের পাটের আবাদ হয়েছে।
আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পাট কাটা শুরু হয়। এরপর পুকুর, ডোবা, খাল, বিল, বাওড় ও নদীর পানিতে জাগ দিয়ে দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর আঁশ ছাড়ানো হয়। রোদে শুকানোর পরে আঁশ সোনালি রং ধারণ করে। পরে কৃষকেরা আঁটি বেঁধে স্থানীয় হাট-বাজার ও বিভিন্ন আড়তে বিক্রি করেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তোষা, দেশি ও মেস্তা জাতের পাটের জন্য ৮ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহে ৮ হাজার ৮৯৬ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ হেক্টর বেশি। উৎপাদনও সন্তোষজনক হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
স্বরূপদাহ ইউনিয়নের আন্দারকোটা গ্রামের পাটচাষি রনি মিয়া বলেন, “এবার পাটের ফলন খুব ভালো হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাচ�
