বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রাজপথের আন্দোলনে পরীক্ষিত সৈনিক মোঃ সজীব রায়হান

সাভার প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিকরা কখনো হার মানে না তার প্রমাণ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব, মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা সাভারের কৃতি সন্তান মোঃ সজীব রায়হান। বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েও লড়াই সংগ্রামে অন্যায়ের সাথে আপোষহীন, অকুতোভয় রাজপথের সাহসী একজন সৈনিক এই ছাত্রনেতা ।
তিনি বলেন,
আমার কিন্তু বেঁচে থাকার কথা ছিলো না।বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সকল জাতীয়তাবাদী আদর্শের সকল সহযোদ্ধা ভাই,বোনদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি বেঁচে ফিরেছিলাম।

এজীবনে পাবার আর কিছু নাই তাই যতদিন বেঁচে থাকবো আমার যেসকল ভাই বোন শুভাকাঙ্ক্ষী ,যাদের দোয়ায় আমি বেঁচে ফিরেছি কথা দিচ্ছি বাংলাদেশে আমার মতো অবহেলিত নির্যাতিত ত্যাগী- দের নিয়ে কাজ করবো। আজীবন দেশ ও জনগনের কল্যানে নিস্বার্থ ভাবে আদর্শিক জিয়ার সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন,
সবকিছু এত সহজ ছিলো না। ১৯৬৮ দিন হুলিয়ায় আত্মগোপনে থেকে লড়াই আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। আমার মা তার ছয় (০৬) সন্তানকে হারানোর বেদনায় তিনবার (০৩) বার কেঁদেছেন এবং আমার মাকে বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে ২০২৩ সালে ৯ই নভেম্বর থেকে ৯০ দিনের মতো অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
মূলত বিএনপির প্রাথমিক পর্যায়ে এক দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে সজীব রায়হানের নেতৃত্বে সেই সময়ের সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম রাজীবের উপজেলা অফিসের মূল ফটোকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।মনজুরুল আলম রাজীবের নির্দেশে ছাত্রলীগ যুবলীগের সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে এই হামলা চালায় বলে জানান।

তিনি বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলে পারিবারিক উনিশ (১৯)টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,নিজের ব্যক্তিগত একটি ডেইরি ফার্ম ,একটি চানাচুর ফ্যাক্টরি এবং এনজিও প্রতিষ্ঠান হারিয়েছি।

এদিকে এই ছাত্রনেতা সজীব রায়হানের দলের প্রতি দায়িত্ব পালন ও দলকে এগিয়ে নিতে সামনে থেকে সঠিক নেতৃত্ব দানের জন্য আগামীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চায় নেতৃবৃন্দ ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। তারা বলেন,বহু নির্যাতনের শিকার, দুর্দিনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোঃ সজীব রায়হানই পারবেন নেতৃত্ব দিতে ।দল তার উপরই আস্থা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।
এদিকে সজীব রায়হানকে মুল্যায়ন ,দলের জন্য সময়ের দাবি বলে ও উল্লেখ করেন অনেকে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ