চবিতে গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত

চবিতে গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) দুপুর দুইটায় বিবিএ ফ্যাকাল্টি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং দারুল এরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট যৌথভাবে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবির উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায়
চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, আজকের আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইসলামী সংগীত, সামা ও ইনশাদ। সংগীতকে আমরা অনেক সময় শুধু বিনোদনের বিষয় হিসেবে দেখি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে ইসলামী সংগীত মানুষের মনন, চিন্তা, জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক অনুভূতির একটি সুন্দর সমন্বয়। শ্রুতিমধুর পরিবেশনার মাধ্যমে জ্ঞান, ইতিহাস, ধর্মীয় শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ মানুষের হৃদয়ে সহজেই পৌঁছে দেওয়া যায়।মাইজভাণ্ডারী শরীফের আধ্যাত্মিক চর্চায় সংগীতের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা নিয়ে গবেষণারও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আমি জেনে আনন্দিত যে, আমাদের সংগীত বিভাগ এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট এ বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ নিয়েছে।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা মাইজভাণ্ডারী কর্মকাণ্ডের দিকে তাকালে দেখতে পাই, তারা এই ইতিবাচক শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা বিস্তারের জন্য স্কুল-কলেজে সহযোগিতা করা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সহায়তা করা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার ও গবেষণার আয়োজন ও গবেষণা-সহায়তা প্রদান—এসব কার্যক্রম মানবতার কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে চবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক আহমদ ইমরানুল আজিজ তালুকদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ.এস.এম. বোরহান উদ্দীন।
স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন বাহরাইনের সুপ্রিম কোর্ট অব ক্যাসেসনের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. ইব্রাহিম আল-শেখ রশিদ আল-মুরাইখি এবং মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক দাওয়া ফ্যাকাল্টির সাবেক ডিন ড. জামাল ফারুক জিবরিল মাহমুদ।
